• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

ভুয়া ডাক্তার শিপন ও প্রতিষ্ঠান মালিক আকমল হোসেনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতারণার অভিযোগে মানিকগঞ্জে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা। 

মানিকগঞ্জ থেকে দেওয়ান আবুল বাশার।
Update Time : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

মানিকগঞ্জ থেকে দেওয়ান আবুল বাশার।

 

মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার জায়গীর–ধল্লা এলাকায় অবস্থিত “আকমল ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার”–এ দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া চিকিৎসা, প্রতারণা ও জালিয়াতি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজারো রোগী প্রতারণার শিকার হয়েছেন।অভিযোগ অনুযায়ী, ‘শিপন’ নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি প্রকৃত চিকিৎসক ডা. আজমল হোসেনের আসল সার্টিফিকেট চুরি করে সেখানে নিজের নাম বসিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাভার, হেমায়েতপুর ও মানিকগঞ্জের সহ বিভিন্ন এলাকায় একই কৌশলে এই জালিয়াতি চালানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ায় সম্প্রতি প্রকৃত চিকিৎসক ডা. আজমল হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে ওই চেম্বারে হাজির হন। নিজের নাম ও পরিচয় চুরি হতে দেখে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া ডাক্তার শিপনের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক আকমল হোসেন—যিনি প্রকৃত চিকিৎসক ডা. আজমল হোসেনের ছোট ভাই—এবং মোহাম্মদ আলীসহ আরও একাধিক ব্যক্তি এই প্রতারণার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এদের সঙ্গে একটি নারী প্রতারক চক্রও যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা বিভিন্ন সময় রোগীদের প্রলোভন দেখিয়ে ভুল ও ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা নিতে বাধ্য করতেন বলে স্থানীয়দের দাবি।এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহল মনে করছে, চিকিৎসা খাতে এ ধরনের প্রতারণা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তারা চিকিৎসা নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরিচয় ও সার্টিফিকেট যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


এ বিভাগের আরও সংবাদ