ঝালকাঠি থেকে মোল্লা শাওন।
মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায় নলছিটি উপজেলার দবদবিয়া ইউনিয়নের কয়া গ্রামের মৃত এনায়েতুর রহমান বাঢ়ীর ছেলে চিহ্নিত প্রতারক একাধিক মামলার এজারভুক্ত আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিহ্নিত সন্ত্রাসী বজলুর রহমান রাঢ়ীকে ঝালকাঠি জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ জানুয়ারি দুপুর ১২ ঘটিকার সময় ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে ঝালকাঠি থানার বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ডিবি পুলিশ।মামলার সূত্রে জানা যায় ২২/ ০২ /২০২২ তারিখ সকাল ৯ ঘটিকার সময় ঝালকাঠি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের গণপূর্ত অফিসের সামনে ইসুব আলী কমিশনার সড়কে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ চলাকালীন অবস্থায় বিস্ফোরক দ্রব্য ককটেল মেরে নেতাকর্মীদের দেশীয় অস্ত্র চাইনিজ কুড়াল, বগি দাও, লোহার পাইপ দিয়ে, এলোপাতারি হামলা চালায় এবং বিএনপি কার্যালয় আগুন দিয়ে ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বজলুর রহমান রাঢ়ী সহ অন্যান্য এজাহার নামীয় আসামিরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায় বজলুর রহমান রাঢ়ী বরিশালে সেটেলমেন্ট অফিসের খন্ডকালীন চেইনম্যান থাকাকালীন অবস্থায় সাবেক এমপি আমির হোসেন আমুর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে কথিত ছেলে পরিচয় দিয়ে নলছিটি উপজেলার কয়ারচর গ্রামে শত শত কৃষকের জমি প্রতারণার মাধ্যমে জালজালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছে। বরিশালের বিভিন্ন জায়গায় করেছেন একাধিক আলিশান বাড়ি উল্লেখিত বিষয় নলছিটি উপজেলায় ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে একাধিক বার হয়েছে মানববন্ধন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সংবাদ। শিরোনামে বলা হয়েছে বজলুর রহমান রাঢ়ী হাত থেকে বাঁচতে চায় এলাকাবাসী। অবশেষে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী বজলুর রহমান রাঢ়ী গ্রেপ্তার হওয়ার পরে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।এমনকি ঝালকাঠি জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে হাজারো গ্রামবাসী। উল্লেখিত বিষয় ঝালকাঠি থানার অফিসার ইনচার্জ দৈনিক যায়যায় বেলা সহ একাধিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে বজলুর রহমান রাঢ়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।