• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ডে দিনের আলোতে সরকারি লোহার বিলবোর্ড কেটে বিক্রির অভিযোগ

মোঃ মোল্লা শাওন ঝালকাঠি।।
Update Time : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :

 

ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি লোহার বিলবোর্ড কেটে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও তীব্র আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগেও ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ডের পাবলিক টয়লেটের পশ্চিম পাশে একটি বড় আকারের লোহার সরকারি বিলবোর্ড স্থাপন করা ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ওই বিলবোর্ডটি শ্রমিক দলের এক নেতা স্থানীয় একটি ভাঙারির দোকানে প্রায় ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।এরই ধারাবাহিকতায় আজ (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকার পাবলিক টয়লেটের সামনে স্থাপিত আরেকটি বড় লোহার বিলবোর্ড গ্যাস কাটার মেশিন দিয়ে কেটে নেওয়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নজরে আসামাত্র এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে সাংবাদিক ও প্রশাসনকে অবহিত করেন।এ বিষয়ে শ্রমিক দলের সভাপতি সাংবাদিকদের জানান, পাবলিক টয়লেটের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ নির্বাহের জন্য বিলবোর্ডটি ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।তবে এ ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিলবোর্ডটির প্রকৃত মালিকানা নিয়ে দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি—বিলবোর্ডটি কি কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের, নাকি পৌরসভার তথা সরকারের সম্পত্তি?স্থানীয়দের দাবি, যেহেতু বিলবোর্ডটি পৌরসভার জমিতে স্থাপন করা ছিল, সেহেতু সেটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়াই স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নিলাম, লিখিত অনুমতি বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই বিলবোর্ড কেটে বিক্রি করা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ প্রশ্নবিদ্ধ।শ্রমিক দলের সভাপতি দাবি করেন, বিষয়টি ‘উপরে জানানো হয়েছে’। তবে তিনি কোথায়, কাকে বা কোন দপ্তরে জানানো হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য কিংবা লিখিত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।ঘটনাটি নিয়ে ঝালকাঠি শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ লুটের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।


এ বিভাগের আরও সংবাদ