দৈনিক যায়যায় বেলা।
ঝালকাঠির হার না মানা, অদম্য স্পীহা, সৎ ,সাহসী এ প্রার্থী বিগত দিনে ঝালকাঠিবাসীর জন্য কি করেছেন , বর্তমানে কি করছেন, আগামীতে ঝালকাঠি নলছিটির বাসের জন্য কি করবেন তার কতিপয় প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হলো-১৯৯৮ সাল থেকে গরীব অসহায় মানুষের কল্যানে-তিনি বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বাক্ষর রেখেছেন-যেমন- নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে বসবাসের জন্য, ঝালকাঠি উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য টিন দিয়েছেন । সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য ৪৭৩ টি অসহায় পরিবারকে দুধের গরু দিয়েছেন যাতে আয় করে সংসার চালাতে পারে। দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের ৫৪ টি পরিবারকে আলাদা দুধের গরু দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার প্রসার ঘটাতে, প্রায় প্রতিটি হাই স্কুলে বিনামূল্যে বই সরবরাহ করেছি কারন সরকারী ভাবে তখনও বিনামূল্যে বই সরবরাহ শুরু হয়নি।ডাক্তার নিয়োগ করে অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং ঔষধপত্র সরবরাহ করেছেন - যাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া দূরহ হয়েছে তাদেরকে ঢাকায় এনে থাকা খাওয়াসহ উন্নত মানের চিকিৎসা প্রদান করেছেন। যার সংখ্যা ৫০০০ এর অধিক। যা বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে।স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে, সল্পশিক্ষিত বেকার যুবকদের বিনা সুদে ব্যাবসার পূজি দিয়েছেন। গরীব ছাত্র/ ছাত্রীদের মাসিক স্টাইপেন্ড চালু রেখেছেন।হাজার হাজার মানুষকে শীতবস্ত্র, পরিধেয় কাপড়/ লুঙ্গি কম্বল, ( যাকাত) দিয়েছেন । এ সকল কার্যক্রমের জন্য ২০০৯ সালের উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন কালে আমাকে গরীবের বন্ধু বলে অনেকেই আখ্যায়িত করেছে।সতন্ত্র পদে প্রার্থীতা করে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান হবার পর প্রতিটি গ্রামে গরিব/ অসহায় এবং বিধবাদের তালিকা করে- প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে- প্রায় ১০০০ পরিবারকে মাসিক ভাতা প্রদান করে। চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধি করে, প্রায় ৪৮০ টা রিকশা/ ভ্যান বিতরন করেন।রোজা,ও কোরবানিতে বিশেষ উপহার হিসাবে হাজার হাজার মানুষকে ২৫ কেজি চাল,ডাল, আলু, ছোলাবুট, চিনি, খাজুরসহ সেমাই এবং মাংসের ব্যাগ সরবরাহ করে আসছেন ।সরকারি বরাদ্দের বাইরে প্রায় ২৭৮ টি ডিপ টিউবওয়েল নিজ অর্থে স্থাপন করেছেন এবং এখনো করে যাচ্ছেন।নিজ অর্থে প্রায় প্রতিটি মসজিদ মাদরাসায় অনুদানসহ শিক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করেছেন। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের বাথরুম নির্মাণ ও গভীর টিউবওয়েল স্থাপন সহ ক্রিড়া সামগ্রী কখনো নিজ অর্থে কখনো সরকারি অর্থ সরবরাহ করেছেন ।উপজেলা পরিষদ থেকে প্রাপ্ত সকল সন্মানী অর্থ মসজিদ- মাদ্রাসা এবং মন্দিরে উন্নয়নে ব্যায় করেছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পাঁচ বছর ২ মাস কখনও সরকারি টাকায় এককাপ চা পর্যন্ত পান করেননি বরং নিজ অর্থে শত শত মানুষকে উপজেলা চত্বরে খাবার পরিবেশন করেছেন- কোন দূরনীতি, জুলুম, দূর্ব্যাবহার, মামলা, হয়রানি, অনাচার বা অসদাচরণের আশ্রয় নেননি। শত শত মামলার সালিশ নিষ্পত্তি করে জজ সাহেবদের প্রশংসা অর্জন করেছেন। অসংখ্য শিক্ষক,শত শত নৈশপ্রহরী নিয়োগে দুর্নীতিমুক্ত থাকায় ক্ষমতাবানদের হিংসার শিকার হলে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।একটা হাসপাতাল গড়ার লক্ষ্যে পশ্চিম ঝালকাঠি - যুব উন্নয়নের পাশে ১৪০ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে যখন নীচতলা নির্মাণ সম্পন্ন করলাম তখন তাতে বাধ সাধলো এবং কলেজ নির্মাণ করা হলো। ইনশাআল্লাহ আবার হাসপাতাল নির্মাণ হবে এবং অসহায় মানুষের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। এভাবে তখনকার ক্ষমতাসীনদের শত বাধা চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে দলমত নির্বিশেষে অসহায় গরীব মানুষের আশ্রয়স্থল হয়েছেন যা এখনো চলমান।।উপরের অতীতের সকল কার্যক্রম যা এখনো চলমান আছে এবং আমৃত্যু চলমান থাকবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।দুঃখজনক হলেও সত্য যে তখনকার ক্ষমতাসীনদের প্রতিহিংসার কারণে তার জন্য নলছিটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এরিয়া ঘোষণা করে এবং ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত তা বলবৎ থাকে।তিনি বলেন- আল্লাহ যদি আমাকে ঝালকাঠি- নলছিটিবাসীর সেবক হিসেবে কবুল করেন তবে পিছিয়ে পড়া এই হতদরিদ্র নলছিটিবাসীর জন্য নিজ অর্থে গরিবের ভাতা, শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসা, গৃহ নির্মাণ, সুপেয় পানি, খাদ্য সামগ্রী, পরিধেয় বস্ত্র এবং বেকার সল্পশিক্ষিত বিনাসুদে লোন দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করবো।বিগত দিনগুলো ঝালকাঠি উপজেলায় যতটুকু সহায়তা করেছি তা পুরো পুরি নলছিটি উপজেলায় সম্পন্ন করে দুই উপজেলার সমতা করে- বাংলাদেশের গরীব দশটি উপজেলার মধ্যে নলছিটি একটি এ অবস্থায় পরিবর্তন করে একটি সমৃদ্ধিশালী উপজেলা গড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো ইনশাআল্লাহ।আল্লাহর রহমতে আমি সেবক হতে পারলে- সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুলুম ,অত্যাচার ভোগান্তি ইত্যাদি নির্মূল করতে কঠোর ভূমিকা রাখবো এবং নির্মূল করবো ইনশাআল্লাহ! আমি নলছিটি শহরে ছোট্ট একটি বাড়ি/ বাসা নির্মাণ বা ভাড়া করে নলছিটিবাসীর সুখ- দুঃখের সাথী হবো- যেমনটা এখন ঝালকাঠির আছি।আমি কখনোই কোন হারাম কাজ, বেআইনি কাজ বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ করবো না এবং করতেও সহায়তা করবো না ইনশাল্লাহ । আমি সরকারী কোন সাহায্য অনুদান, সন্মানী, ভাতা ইত্যাদি আমার নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য ব্যব্যবহার করবো না- আমার জন্য আমার আল্লাহই যথেষ্ট।ঝালকাঠি- নলছিটিবাসী আমার ভাই, বন্ধু আমার সাথী- ধর্মমত নির্বিশেষে আমার আপনজন- তাদের সুখে নয় দুঃখে সাথী হতে পারলে আমি ধন্য , আমার হক আদায় হবে।উপরের আলেখ্যে যদি কারো এতটুকু অমত থাকে- মিথ্যা বা প্রবঞ্চনা মনে হয় তবে ঝালকাঠি উপজেলার রাজনৈতিক কর্মীনয় সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করুন- আপনি সততা পাবেন।জনগনকে ধোঁকা দেয়া, শোষণ করা, তাদের হক নষ্ট করে নিজের উদরপূর্ণ করা,সকল কাজে কমিশন চাওয়া নয়, সততা, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা আর উদারতাই আমার প্রতিশ্রুতি- আমার শপথ!