• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন

ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামানের সন্তানদের নামে রেখে যাওয়া এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ও দুটি ধানসিঁড়ি পরিবহন গাড়ি আত্মসাৎ এর চেষ্টা চালাচ্ছে

মোঃ মোল্লা শাওন ঝালকাঠি।।
Update Time : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোঃ মোল্লা শাওন ঝালকাঠি।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ‎ঝালকাঠি পৌরসভার সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছোট ছেলে। দৈনিক ভোরের কাগজের ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি এবং দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি ও ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য মনিরুজ্জামান মনির ২০১৩ সালে স্টক করে মারা যান। মৃত্যুর পর থেকেই তার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে শহরের বাহের রোডে বাবার বাড়িতে মানবতার জীবনযাপন করেন। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া এক কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা ও ধানসিঁড়ি পরিবহন নামক দুটি গাড়ি সন্তানদের জন্য রেখে যান সাবেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামান। তার মৃত্যুর পরে বড় ভাই অর্থলোভী প্রতারক আবুল বাশার শামীম এবং শামীমের ছেলে সায়িদুল বাশার, লোভে পড়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং ছোট ভাই মনিরুজ্জামান মৃত্যুর পরে সম্পত্তি হাতি নেওয়ার কৌশল ব্যবহার করে প্রতারক আবুল বাশার শামীম , এবং বিভিন্ন সাদা কাগজ ও ব্ল্যাক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নেয় প্রতারক শামীম। এরপরে ছোট ভাই মনিরুজ্জামানের স্ত্রীকে বুয়া একটি কাবিন করে স্ত্রী দাবি করে সম্পত্তি হাতে নিয়েছে। এবং মনিরুজ্জামান এর রেখে যাওয়া এক কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। প্রতারক শামীম ও তার ছেলে সায়িদুল বাশার, উল্লেখিত বিষয় ঝালকাঠি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে থানা পুলিশ তালবাহানা করে প্রতারক শামীমের পক্ষ নিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছে। এ কারণে কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছে সাংবাদিক পরিবার।অভিযোগকারী শারমিন আক্তারের দাবি, তার ভাসুর তার স্বামীর মালিকানাধীন ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির অন্তর্ভুক্ত ‘ধানসিঁড়ি পরিবহন’-এর দুটি গাড়ি প্রতারণা করে দখল করে নিয়েছেন। এমনকি স্বামীর রেখে যাওয়া সন্তানদের এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন তালবাহানা করে আত্মসাৎ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। উক্ত বিষয় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ।সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে সাবেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামান এর স্ত্রী শারমিন আক্তার স্বামীর রেখে যাওয়া পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় মারাটে সন্ত্রাসী দিয়ে জীবননাশের হুমকি দিয়েছে।এই ঘটনায় শারমিন আক্তার গত ২৮/০৭/২০২৫ তারিখে ঝালকাঠি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, যার নম্বর ১৩৮০।সাবেক সাংবাদিক ‎মনিরুজ্জামান মনিরের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া গাড়ির ব্যবসার তদারকি ও জমিজমা দেখাশোনা করতে থাকেন। মনিরুজ্জামান এর বাবা,আবদুল মজিদ হাওলাদার তখন জীবিত ছিলেন তিনি মারা যাওয়ার পরে। শারমিন আক্তার স্বামীর ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির অধীনে থাকা ‘ধানসিঁড়ি পরিবহন’-এর দুটি গাড়ির হিসেব বুঝে নেন। হিসেব-নিকেশের পর আবুল বাশার শামীমের কাছে জমি বিক্রির এবং ব্যবসার বাবদ প্রায় ৫০ লাখ টাকা পাওনা থাকে।‎শারমিন আক্তার ওই পাওনা ৫০ লাখ টাকা ফেরত চাইলে, প্রতারক আবুল বাশার শামীম প্রতারণার মাধ্যমে সেই গাড়ি দুটি দখল করে নেন। এবং টাকা দিতে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।‎শারমিন আক্তার অভিযোগ করেন, এই টাকা ও গাড়ি ফেরত চাইতে গেলে প্রতারক আবুল বাশার শামীম ও তার ছেলে সায়িদুল বাশার, বিভিন্ন সময়ে তাকে এবং তার সন্তানদের হত্যার হুমকি দেন। সর্বশেষ গত ২৬ জুলাই আবুল বাশার শামীম ও তার ছেলে শারমিন আক্তারের বাসায় এসে গালিগালাজ করেন এবং হত্যার হুমকি দিয়ে বলেন যে পাওনা টাকা চাইলে সন্তানদের সহ পুরো পরিবারকে হত্যা করে ফেলবে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় সাবেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মৃত্যুর পরে তার স্ত্রী শারমিন আক্তার কে প্রতারক আবুল বাশার শামীম ভুয়া একটি কাবিন করে জোরপূর্বক তাকে স্ত্রী হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেন। প্রতারক ভাসুর আবুল বাশার শামীম,ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ও জমিজমার কাগজপত্র তৈরির কথা বলে সাদা কাগজ সহ নন জুটিশিয়াল কিছু ব্ল্যাক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও ছবি নিয়ে সেই ছবি দিয়ে এফিডেভিট বানিয়ে তাকে স্ত্রী হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন।‎শারমিন আক্তার আবুল বাশার শামীমকে ‘খারাপ প্রকৃতির লোক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন,তিনি নিজের স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে পারেন। শুধু টাকা-পয়সা আত্মসাৎ নয়, তিনি আরও জঘন্য প্রকৃতির অন্যায় করেছেন, যা সঠিক সময়ে প্রকাশ করা হবে।”এবং তার এক পরিচিতজনকে ব্ল্যাকমেইল করে মেসেঞ্জার ও whatsapp এর মাধ্যমে আপত্তিকার ছবি পাঠিয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।তথ্য অনুসন্ধান কালে উল্লেখিত বিষয় জানার জন্য সাবেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামান এর আরেক ভাই ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম মাসুম, সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আবুল বাশার শামীম,ও মনিরুজ্জামান মনির, আমার ভাই মনিরুজ্জামান মারা যাওয়ার পরে বাবা রেখে যাওয়া সম্পত্তির ওয়ারিশ হিসাবে আমি ও আমার ভাইয়েরা পেয়েছি সেখান থেকে মনিরুজ্জামান এর রেখে যাওয়া এক কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা আমার বড় ভাই আবুল বাশার শামীম প্রতারনার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা ফ্যামিলিগতভাবে আবুল বাশার শামীমকে একাধিকবার তাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে বিভিন্ন তালবাহানা করে প্রতারণা করে আসছে। প্রশাসন ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আকুল আবেদন প্রতারক আবুল বাশার শামীমের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে এতিমদের পাওনা টাকা ও দুটি ধানসিঁড়ি পরিবহন গাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না হোক। উল্লেখিত বিষয় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকগণ একাধিকবার প্রকাশ করলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।উল্লেখিত বিষয় অভিযুক্ত আবুল বাশার শামীমের সাক্ষাৎকারের জন্য তার মুঠোফোন কল করলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন আমার ভাইয়ের রেখে যাওয়া গাড়ি ও টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে সন্তানদের নামে এফডিআর করে রাখা হয়েছিল। কিছুদিনের ভিতরে তাদের টাকা ও গাড়ি বুঝিয়ে দিবেন। এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শারমিন আক্তারকে বিবাহের বিষয় তিনি কোন সৎ উত্তর দিতে পারিনি, তাড়াহুড়া করে ফোন কেটে দিয়েছে।

 

 

 


এ বিভাগের আরও সংবাদ