দৈনিক যায়যায় বেলা নিজস্ব প্রতিবেদক।
নলছিটি উপজেলার মাটিতে জন্ম নেওয়া এবং ঝালকাঠি সদরে স্থায়ীভাবে বসবাস করা এই মানুষটির সাথে এলাকার সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক নয়—এটা হৃদয়ের, আত্মার, এবং রক্তের সম্পর্ক।ঢাকায় বিলাসবহুল জীবন গড়ার সুযোগ থাকলেও তিনি সেই পথ বেছে নেননি। বরং মানুষের মাঝে, মাঠে-ঘাটে, হাসি-কান্নায়, সুখ-দুঃখে তিনি থাকেন সর্বদা। তাঁর সহজপ্রাপ্যতা ও সার্বক্ষণিক উপস্থিতি তাঁকে জনগণের সবচেয়ে কাছের নেতা করে তুলেছে।রাজনীতিতে তিনি স্বচ্ছতা ও নীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—কোনোদিন অবৈধ উপার্জনের পথে হাঁটবেন না এবং নিজের আয়-ব্যয়ের হিসাব সর্বসমক্ষে উন্মুক্ত রাখবেন। এমন সততার অঙ্গীকার আজকের রাজনীতিতে বিরল উদাহরণ।নির্বাচিত হলে তিনি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ দিতে চান। তাঁর অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে।সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা,রপ্তানিমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা,বেকার তরুণদের কর্মসংস্থানের বাস্তব সুযোগ সৃষ্টি করা।দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বা না পাওয়ার বিষয়টি তাঁর কাছে গৌণ। জনগণের সেবা করা তাঁর কাছে আজীবনের অঙ্গীকার। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে তিনি এই অঞ্চলের মানুষের পাশে আছেন — বছরজুড়ে, প্রতিটি মুহূর্তে একজন দক্ষ সংগঠক, অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে তিনি দলকে কঠিন সময়েও ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। নানা হামলা, মিথ্যা মামলা, হয়রানির মুখেও তিনি কখনো পিছু হটেননি। তাঁর দৃঢ়তা ও সাহস প্রমাণ করে—তিনি নীতিবান, নির্ভীক ও ঈমানি চেতনায় দৃঢ় একজন মানুষ।অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি কর্মীদের আশ্রয়স্থল, সাহসের প্রতীক এবং জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি।ঝালকাঠি-০২ আসনের দায়িত্ব যদি জনাব তারেক রহমান অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেনের মতো একজন ত্যাগী, মেধাবী ও নীতিবান নেতার হাতে অর্পণ করেন—তাহলে এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয় নিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ।