ধানসিঁড়ি থেকে মোল্লা শাওন।
ঝালকাঠি জেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের পূর্ব বিন্নাপাড়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আওয়ামী লীগের দোসর জালাল উদ্দিন মন্টু প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে পূর্ব বীর্নাপাড়া গ্রামের একাধিক অসহায় পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতেছে এমন অভিযোগে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর, বিকালে শত শত গ্রামবাসী ও মিথ্যা মামলার আসামিরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী করে মানববন্ধন করেছে। উক্ত মানববন্ধনে দেখা যায় পূর্ব বিন্নাপাড়া গ্রামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী পারভিন বেগম পুতুল হত্যা মামলার সাক্ষী ও আসামি সহ স্থানীয় শতাধিক সচেতন মহল মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে এই সময় তারা সাংবাদিকদের বলেন ৫ ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হওয়ার পরে বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের দোসরদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে ছাত্র জনতা। তারি সূত্র ধরে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নে ভাঙচুর হয়েছে বেশকিছু আওয়ামী লীগের দোসরদের ঘরবাড়ি ।৫ ই আগস্ট এর পরে পালিয়েছে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের দোসর একাধিক মামলার আসামি ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য প্রতারক আবু আক্তার,ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মহাসিনের ঘরবাড়ি। ভাঙ্গা হয়েছে জুলুমবাজদের ঘরবাড়ি। এবং আওয়ামী লীগের দোসর চিহ্নিত সন্ত্রাসী ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম মাসুমের , অবৈধ সম্পদের পাহাড়। ভাঙ্গা হয়েছে বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের ঘরবাড়ি ঠিক সেই সময় ভাঙচুর করা হয়েছে আওয়ামী লীগের দোষর জালাল উদ্দিন মন্টু ঘরবাড়ি।৫ ই আগস্ট এর পরে জালাল উদ্দিন মন্টু, নিজেকে বিএনপি নেতা দাবি করে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গ্রাম থেকে পলাতক থাকিয়া ভাঙচুরের ঘটনার একমাস পরে গ্রামের সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে একটি পরিকল্পিত ডাকাতি মামলা, ও প্রতিবন্ধী বোনকে মেরে গ্রামবাসীকে ফাঁসানোর জন্য পরিকল্পিত হত্যা মামলা দায়ের করে জালাল উদ্দিন মন্টু এবং মামলায় ফাঁসানোর কথা বলে মোটা অংকের টাকা দাবি করে এমন অভিযোগ তথ্য অনুসন্ধানে পাওয়া যায়। ওই মানববন্ধনে দেখা যায় হত্যা মামলার এজাহারে উল্লিখিত ৪ নং সাক্ষী মোহাম্মদ আকতার হোসেন বাবুল , তিনিও রয়েছে সাক্ষী বাবুল,উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন এজাহারে আমাকে সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে কিন্তু আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না আমি কিছুই দেখিনি আমাকে ভয় দেখিয়ে মামলায় ফাঁসানোর কথা বলে ৪ নং সাক্ষী দেয়া হয়েছে প্রশাসন যেন সুস্থ তদন্ত করে সত্য ঘটনা উদঘাটন করে আসল অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করে। মানববন্ধনে আসা স্থানীয়রা বলেন মামলার বাদী জালাল উদ্দিন মন্টু, পিতা-মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদার, তার বোন পারভিন বেগম পুতুলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। এজাহারে সন্দেহভাজন হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন। শামীম হাওলাদার,পিতা- মোঃ আফজাল হাওলাদার, জসিম হাওলাদার,পিতা- মোঃ হারুন হাওলাদার, ইমন হাওলাদার, পিতা- মোঃ ফারুক হাওলাদার, মোঃ আফজাল হাওলাদার,পিতা-মৃত আঃ লতিফ হাওলাদার, মোঃ রবিউল হাওলাদার, পিতা- মোঃ কবির হাওলাদার, মোঃ রাজিব সিকদার,পিতা- মোঃ সালেক সিকদার। সহ সকল অভিযুক্তরা ঘটনার সময় ৫ই আগস্ট এর সাজানো ভাঙচুর ও ডাকাতি মামলার আসামি হয়ে বিভিন্ন আত্মীয়র বাসায় পলাতক ছিলেন।গ্রামবাসীর অভিযোগ, এই মামলায় সম্পূর্ণ নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানো হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা জালাল উদ্দিন মন্টু প্রতিবন্ধী বোনকে মেরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে থানা পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে গ্রামের নিরীহ মানুষকে হয়রানি করতেছে। জালাল উদ্দিন মন্টুকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার আসল রহস্য বের হবে এমন অভিযোগ তুলে মানববন্ধনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নেয়া ৭০ বয়সী অসুস্থবৃদ্ধ মোঃ আফজাল হাওলাদার, সাংবাদিকদের বলেন আমি ও আমার ছেলে শামীম হাওলাদার,এবং মেয়ের জামাতা জসিম হাওলাদার, ডাকাতি সহ পাগল হত্যা মামলার আসামি তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন,মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী গ্রামবাসীরা জানান, পারভিন বেগমের মৃত্যু একটি দুঃখজনক ঘটনা হলেও একে পুঁজি করে জালাল উদ্দিন মন্টু ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গ্রামের সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। তারা এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে মামলার বাদী জালাল উদ্দিন মন্টুকে আইনের আওতায় এনে জোরদার জিজ্ঞাসাবাদ করা দাবি জানিয়েছেন তাহলে সত্য বের হয়ে আসবে।গ্রামবাসী আরো জানায় যাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যা মামলার অভিযোগ তোলা হয়েছে তারা কেহ শশুর জামাই আবার কেহ বাবা-ছেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কখনো কোন চুরি ডাকাতির অভিযোগ নেই প্রশাসন যেন সুস্থ তদন্ত করে আসল অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে নিরহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়।উল্লেখিত বিষয় ঝালকাঠি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুটি মামলার বাদি জালাল উদ্দিন মন্টু মামলার তদন্তের স্বার্থে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান আছে আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলমান আছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আসল অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে কোন নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হবে না।